জেনে নিন মোবাইল ফোন এর অপারেটিং সিস্টেম এর ইতিহাস।

বর্তমানে ত প্রায় সবার হাত এই স্মার্ট ফোন। কিন্তু কেও কি ভাবি কিভাবে আমরা এটা চালাই? কেমনে চলে, কাজ করে কিভাবে? অপারেটিং সিস্টেম অনেকদিন ধরে আর শুধু কম্পিউটার এর মাঝে সীমাবদ্ধ নয়। আর সম্প্রতি আবার অপারেটিং সিস্টেম মোবাইল সহ অন্যান্য মাদ্ধম এও ব্যাবহৃত হচ্ছে, যা আমরা স্মার্টফোন, ট্যাবলেট, পিডিএ বা অন্যান্য নামে চিনি। এ অপারেটিং সিস্টেমগুলোতে যেমন পিসি চালানোর একটা ছায়া আছে, আবার এতে নতুন নতুন ফীচার যেমন স্পর্শকাতর পর্দা, সেলুলার, ব্লুটুথ, ওয়াই-ফাই, জিপিএস, ভয়েস রিকগনিশন, ইনফ্রারেড, ভয়েস রেকর্ডার, গান শোনা সহ আরো অনেক কিছু। আমাদের জীবন এখন বহুলাংশে অচল এসব যন্ত্র ছারা।

মোবাইল অপরেটিং সিস্টেম এর ইতিহাস
1979-1992 সালে মোবাইল ফোনে প্রথম এমবেডেড সিস্টেম ব্যবহার করা হয় অপারেশন নিয়ন্ত্রণের জন্য।
1994 সালে দুনিয়ার প্রথম স্মার্টফোন, আইবিএম সাইমন দারা চালিত, একটি স্পর্শকাতর পর্দাযুক্ত, ইমেইল এবং PDA ও বৈশিষ্ট্য যুক্ত।
1996 সালে পাম পাইলট 1000 পার্সোনাল ডিজিটাল অ্যাসিস্ট্যান্ট পরিচয় করিয়ে দেয় পাম অপারেটিং সিস্টেম এর সাথে এবং ওই সালেই অপারেটিং সিস্টেমটি চালু করা হয়।
1996 সালে প্রথম মোবাইল এ উইন্ডোজ সিই পিসি ডিভাইস চালু করা হয়।
1999 সালে নকিয়া এস৪০ অপারেটিং সিস্টেম আনুষ্ঠানিকভাবে নকিয়া ৭১১০ বরাবর চালু হয়।
2000 সালে সিম্বিয়ান এরিকসন আর৩৮০ প্রবর্তনের সঙ্গে একটি স্মার্টফোন প্রথম আধুনিক মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম হয়ে ওঠে।
2001 সালে কাইয়োসেরা ৬০৩৫, পাম অপারেটিং সিস্টেম এর প্রথম স্মার্টফোনের হিসেবে বের হয়।
2002 সালে মাইক্রোসফট এর প্রথম উইন্ডোজ সিই (পকেট পিসি) স্মার্টফোনের চালু করা হয়।
২০০২ সালে ব্ল্যাকবেরি তাদের প্রথম স্মার্টফোন বের করে।
2005 সালে নোকিয়া প্রথম ইন্টারনেট ট্যাবলেটে এন৭৭০ নেভিগেশন মাইমো অপারেটিং সিস্টেম প্রবর্তন করে।
২০০৭ সালে আইওএস এর সঙ্গে অ্যাপল আইফোন একটি মোবাইল ফোন, আইফোন এবং ইন্টারনেট কমিউনিকেটর হিসেবে বাজারে আসে। ওপেন হ্যান্ডসেট এলায়েন্স (ওএইচএ) গুগল, এইচটিসি, সোনি, ডেল, ইন্টেল, মটোরোলা, স্যামসাং, এলজি, ইত্যাদি প্রতিষ্ঠান বাজারে আনে।
২০০৮ সালে প্রথম অ্যান্ড্রয়েড ফোন হিসেবে এইচটিসি ড্রিম (টি মোবাইল জি১) মুক্তি পায় যার ভার্সন অ্যানড্রইড ১.০
2009 পাম, পাম প্রাক এর সঙ্গে ওয়েবওএস প্রবর্তন করে. যা ২০১২ এর পরে জনপ্রিয়তায় ধ্বস নামার দরুন বন্ধ করে দেওয়া হয়। স্যামসাং এস৮৫০০ প্রবর্তনের সঙ্গে এর বাডা অপারেটিং সিস্টেম ঘোষণা দেয়।
২০১০ সালে উইন্ডোজ ফোন অপারেটিং সিস্টেমের ফোন মুক্তি দেয়া হয় কিন্তু পূর্ববর্তী উইন্ডোজ মোবাইল অপারেটিং সিস্টেমের সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
২০১১ সালে মিগো যেটা প্রথম মোবাইল লিনাক্স মাইমো এবং মোবলিন মিশ্রণে, নোকিয়ার সহযোগীতায় নকিয়া এন৯, ইন্টেল এবং লিনাক্স ফাউন্ডেশন সঙ্গে চালু হয়। সেপ্টেম্বর ২০১১ সালে স্যামসাং, ইন্টেল এবং লিনাক্স ফাউন্ডেশন তাদের প্রচেষ্টায় ২০১১ এবং ২০১২ এর মধ্যে টাইজেন এ পরিবর্তন করবে বাডা এর মিগো থেকে। অক্টোবর ২০১১ সালে এমইআর প্রকল্প মিগো কোডবেস থেকে প্রাপ্ত একটি অতি-পোর্টেবল লিনাক্স + + সঙ্গে পণ্য নির্মাণের জন্য এইচটিএমএল/ওএমএল/জাভাস্ক্রিপ্ট কোর প্রায় কেন্দ্রিক, ঘোষণা করা হয়।
২০১২ সালে মজিলা ঘোষণা করে যে পূর্বে যেটা “বুট টু গেকো” নামে পরিচিত ছিলো এখন থেকে তা ফায়ারফক্স অপারেটিং সিস্টেম নামে চলবে এবং বোর্ডে কয়েকটি হ্যান্ডসেট ওইএম দের ছিল।
২০১৩ সালে ক্যাননিকাল উবুন্টু টাচ এর ঘোষনা করে যেটা লিনাক্স এ একটি সংস্করণ। অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েড এর ড্রাইভার ব্যবহার করে, অ্যানড্রইড লিনাক্স্য এর উপর ভিত্তি করে নির্মিত হয়, কিন্তু অ্যান্ড্রয়েড জাভার মত কোড ব্যবহার করে না। ব্ল্যাকবেরি স্মার্টফোনএবং ট্যাবলেট জন্য তাদের নতুন অপারেটিং সিস্টেম ব্ল্যাকবেরি ১০ মুক্তি দেয়।

Add a Comment